পঞ্চভূতাত্মক শিবলিঙ্গ ও তাঁদের তাৎপর্য্য
দক্ষিণ ভারতের পাঁচটি স্থানে/মন্দিরে অবস্থিত পাঁচ বিশেষ প্রকারের শিবলিঙ্গ পাঁচটি আলাদা আলাদা মহাভূতকে নির্দেশ করে, এই পাঁচ বিশেষ প্রকারের শিবলিঙ্গ 'পঞ্চভূতাত্মক লিঙ্গ' বা 'পঞ্চভূত স্থল' নামে পরিচিত। এই পাঁচটি মন্দিরের নির্মাণশৈলী সম্পূর্ণ শৈবতন্ত্র (আগম শাস্ত্র) ভিত্তিক। প্রাচীন বৈদিক পাশুপত শৈব, তামিল শৈব সিদ্ধান্ত এবং লিঙ্গায়েৎ শৈব সহ সমগ্র শৈব সমাজের কাছে এই পঞ্চ মন্দিরের গুরুত্ব অপরিসীম।
👉একাম্বরেশ্বর মন্দির, কাঞ্চিপূরম - পৃথিবীলিঙ্গ - পৃথিবীতত্ত্ব - শর্ব মূর্তি।
👉জম্বুকেশ্বর মন্দির, তিরুচিরাপল্লী - জললিঙ্গ - জলতত্ত্ব - ভব মূর্তি।
👉অরুনাচলেশ্বর মন্দির, তিরুভান্নামালাই - অগ্নিলিঙ্গ - অগ্নিতত্ত্ব - রুদ্র মূর্তি।
👉শ্রীকালাহস্তীশ্বর মন্দির, কালাহস্তী - বায়ুলিঙ্গ - বায়ু তত্ত্ব - উগ্র মূর্তি।
👉নটরাজ মন্দির, চিদাম্বরম - আকাশলিঙ্গ - আকাশ তত্ত্ব - ভীম মূর্তি।
♦️ভব, শর্ব, রুদ্র, উগ্র, ভীম, পশুপতি, ঈশান ও মহাদেব - পরমেশ্বর শিবের এই অষ্টমূর্তি সৃষ্টির আট তত্ত্বেরই প্রতীক, যা পাশুপত শৈবদের মূল মান্য বিষয়। এই অষ্টমূর্তির উল্লেখ আবার আমরা বেদের শতপথ ব্রাহ্মণের ৬.১.৩.১১ থেকে ৬.১.৩.১৭ মন্ত্রে স্পষ্টভাবেই পেয়ে থাকি।
©RohitKumarChoudhury. ISSGT. 2022. ARR


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন