বেদের অন্তর্গত মুণ্ডক উপনিষদ কপালে ভস্ম ধারণের নির্দেশ দিয়েছে


বেদের অন্তর্গত মুণ্ডক উপনিষদ কপালে ভস্ম ধারণের নির্দেশ দিয়েছে 


তদেতদ্‌চাঽভ্যুক্তম্—

ক্রিয়াবন্তঃ শ্রোত্রিয়া ব্ৰহ্মনিষ্ঠাঃ

স্বয়ং জুহুত একর্ষিং শ্রদ্ধয়ন্তঃ।

তেষামেবৈতাং ব্রহ্মবিদ্যাং বদেত

শিরোব্রতং বিধিবদ যৈস্ত চীৰ্ণম্ ॥১০

[তথ্যসূত্র : মুণ্ডক উপনিষদ/৩য় মুণ্ডক/২য় অধ্যায়]

🌷 অর্থ — শাস্ত্র বলে, যে ব্যক্তি শাস্ত্রের বিধি মেনে কর্ম করেন, শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন, ব্রহ্মনিষ্ঠ হন, একর্ষি যজ্ঞানুষ্ঠান করেন এবং অথর্বশির উপনিষদে বর্ণিত শির-ব্রত(ভস্ম) ধারণ করেন, সেই ব্যক্তিই একমাত্র ব্রহ্মবিদ্যা লাভের জন্য উপযুক্ত, অন্য কেউ নয় ।


ব্যাখ্যা — অথর্ববেদের অন্তর্গত “শির উপনিষদ” -এ পাশুপতব্রত করার নির্দেশ রয়েছে, যজ্ঞের অগ্নির মাধ্যমে হ‌ওয়া ভস্ম কপালে ধারণ করলেই তা পাশুপতব্রত বা শিরব্রত বলে অভিহিত হয়। বেদ অনুযায়ী পাশুপত ব্রতের ভস্মধারণ সম্পূর্ণ বৈদিক । কারণ, মুণ্ডক উপনিষদ স্পষ্ট করেই বলছে যে, শাস্ত্র অধ্যয়ন করে, শাস্ত্র মেনে, ব্রহ্মে অর্থাৎ শিবের প্রতি মন সমর্পণ করে, যজ্ঞ করে তার অগ্নিস্বরূপ ভস্ম শির অর্থাৎ মস্তক বা কপালে ধারণ করে - এমন ব্যক্তিই ব্রহ্মবিদ্যা অর্থাৎ আত্মজ্ঞান লাভের যোগ্য ব্যক্তি।


সংগ্রহে : শ্রীনন্দীনাথ শৈব

কপিরাইট ও প্রচারে : Shivalaya 

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ