বর্ণাশ্রমের ঊর্ধ্বে উঠে আত্মজ্ঞানী ব্যক্তি অতিবর্ণাশ্রমী অবধূত হন

 





অবধূত উপনিষদে বলা হয়েছে আত্মরূপে চেতনা স্থিত হলে, তিনিই বর্ণাশ্রম থেকে মুক্ত হ‌ওয়া অতিবর্ণাশ্রমী অবধূত ব্যক্তি বলে অভিহিত হন —


যো বিলঙ্ঘ্যাশ্রমান্‌ বর্ণান্‌ আত্মন্যেব স্থিতঃ সদা ।

অতিবর্ণাশ্রমী যোগী অবধূতঃ স কথ্যতে ॥ ৩ ॥

[কৃষ্ণ-যজুর্বেদ/অবধূত উপনিষদ/৩ নং মন্ত্র]

অর্থ : যে ব্যক্তি বর্ণাশ্রমসমূহ অতিক্রম করে (ঊর্ধ্বে উঠে) সর্বদা আত্মাতেই প্রতিষ্ঠিত থাকেন, তিনি অতিবর্ণাশ্রমী যোগীপুরুষ ‘অবধূত’ নামে পরিচিত হন ॥ ৩ ॥


ব্যাখ্যা : যে ব্যক্তি নিজের অস্তিত্বকে দেহের থেকে মুক্ত অনুভব করে, 

নিজেকে মূলত ‘আত্মা’ বলে জেনে থাকেন, তিনিই আত্মজ্ঞানী। 

এমন উচ্চভাবের চেতনা যার লাভ হয়, তার জন্য দেহ দিয়ে পালিত 

বর্ণাশ্রমের বিধান অকৃতকার্য হয়ে পড়ে, তিনি তখন বর্ণাশ্রম থেকে 

মুক্ত “অতিবর্ণাশ্রমী” বলে চিহ্নিত হন, তিনিই “অবধূত’ বলে অভিহিত।







মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ