প্রতিদিন মাংস আহার করতেন আমিষভোজী পঞ্চপাণ্ডব সহ ব্রাহ্মণেরা
🍗 প্রতিদিন মাংস খেতেন আমিষভোজী পাণ্ডবেরা সহ ব্রাহ্মণেরা
__________________________________________________
🔰 ভূমিকা — প্রাচীনকালেও প্রায় সকল সনাতন ধর্মীই মাংস আহার করতেন। বিশেষ করে ক্ষত্রিয়গণ, ব্রাহ্মণগণও মাংসাহার করতেন। এবিষয়ে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হল এই প্রবন্ধে। পাণ্ডবেরা প্রতিদিন পশুবধ করে, সেই পশুর মাংস ব্রাহ্মণদের ভোজনের জন্য নিবেদন করতেন এবং নিজেরাও তা আহার করতেন, দ্রৌপদীও স্নেহ ও শ্রদ্ধাভরে তাদের পরিবেশন করতেন এবং স্ত্রীধর্ম অনুযায়ী সকলের শেষে অবশিষ্টাংশ যা ভোজন থাকতো তা আহার করতেন। এই “পঞ্চপাণ্ডবের খাদ্যাভ্যাস” বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা মহাভারতের বনপর্ব থেকে তুলে ধরা হল। কট্টর নিরামিষাশীরা মাংসাহারী আমিষাশী ব্যক্তিদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে নিজেদের বড়ই শুদ্ধ দাবী করে অহংকার করে বেড়ায়। নিরামিষ আহার করেও তাদের অহংকাররূপী তমোগুণ যে তাদের মস্তিষ্ককে ব্রহ্মজ্ঞান থেকে অনেক দূরে রেখেছে তা এই দৃষ্টান্তমূলক উদ্ধৃতি থেকে প্রমাণিত হবে।
__________________________________________________
♦️ মহাভারতে পাণ্ডবগণ সহ ব্রাহ্মণদের পশুমাংস ভোজনের খাদ্যাভাস বিষয়ে প্রমাণ —
কিমাসীৎ পাণ্ডুপুত্রাণাং বনে ভোজনমুচ্যতাম্ ।
বানেয়মথবা কৃষ্টমেতদাখ্যাতু মে ভবান্ ॥ ৩ ॥
বৈশম্পায়ন উবাচ।
বানেয়ঞ্চ মৃগাংশ্চৈব শুদ্ধৈর্বাণৈর্নিপাতিতান্ ।
ব্রাহ্মণানাং নিবেদ্যাগ্রমভুঞ্জন্ পুরুষর্ষভাঃ ॥ ৪ ॥
তাংস্তু শূরান্ মহেষ্বাসাংস্তদা নিবসতো বনে ।
অন্বয়ুর্ব্রাহ্মণা রাজন্ ! সাগ্নয়োঽনগ্নয়স্তথা ॥ ৫ ॥
ব্রাহ্মণানাং সহস্রাণি স্নাতকানাং মহাত্মনাম্ ।
দশ মোক্ষবিদাং তত্র যান্ বিভর্ত্তি যুধিষ্ঠিরঃ ॥ ৬ ॥
রুরূন্ কৃষ্ণমৃগাংশ্চৈব মেধ্যাংশ্চান্যান্ বনেচরান্ ।
বাণৈরুন্মথ্য বিবিধৈর্ব্রাহ্মণেভ্যো ন্যবেদয়ন্ ॥ ৭ ॥
ন তত্র কশ্চিদ্দুর্বর্ণো ব্যাধিতো বাঽপ্যদৃশ্যত ।
কৃশো বা দুর্বলো বাপি দীনো ভীতোঽপি বা পুনঃ ॥ ৮ ॥
পুত্রানিব প্রিয়ান্ ভ্রাতৃন্ জ্ঞাতীনিব সহোদরান্ ।
পুপোষ কৌরবশ্রেষ্ঠো ধর্মরাজো যুধিষ্ঠিরঃ ॥ ৯ ॥
পতীংশ্চ দ্রৌপদী সর্বান্ দ্বিজাতীংশ্চ যশস্বিনী ।
মাতেব ভোজয়িত্বাগ্রে শিষ্টমাহারয়ত্তদা ॥ ১০ ॥
প্রাচীং রাজা দক্ষিণাং ভীমসেনো
যমৌ প্রতীচীমথবাপ্যুদীচীম্ ।
ধনুর্দ্ধরা মাংসহেতোর্মৃগাণাং
ক্ষয়ঞ্চক্রুর্নিত্যমেবোপগম্য ॥ ১১ ॥
তথা তেষাং বসতাং কাম্যকে বৈ
বিহীনানামর্জুনেনোৎসুকানাম্ ।
পঞ্চৈব বর্ষাণি তথা ব্যতীয়ুরধীয়তাং
জপতাং জুহ্বতাঞ্চ ॥ ১২ ॥
ইতি শ্রীমহাভারতে শতসাহস্র্যাং সংহিতায়াং বৈয়াসিক্যাং বনপর্বণি ইন্দ্রলোকাভিগমনে পার্থাহারকথনে দ্বিচত্বারিংশোঽধ্যায়ঃ ॥ ৪২ ॥
[হরিদাস সিদ্ধান্ত বাগীশ ভট্টাচার্যের অনুবাদিত বিশ্ববাণী প্রকাশনীর প্রকাশিত ‘মহাভারত/বনপর্ব/দ্বিচত্বারিংশ (৪২) অধ্যায়/৩-১২ নং শ্লোক’]
✅ অর্থ : [জনমেজয় বৈশম্পায়নকে জিজ্ঞাসা করে বললেন] বনে বিচরণকারী পাণ্ডবগণের খাদ্য কি ছিল সে বিষয়ে বলুন ; বনের উড়ীর চাউল ও ফল প্রভৃতি ? নাকি ধানের চাউল প্রভৃতি খাদ্য ছিল ? সেই বিষয়ে আমার কাছে আপনি বলুন ॥ ৩ ॥
বৈশম্পায়ন বললেন, পুরুষশ্রেষ্ঠ পাণ্ডবেরা ব্রাহ্মণের প্রথমে নিবেদন করিয়া দিয়া উড়ীর চাউল এবং নির্দোষ বাণ দ্বারা নিহত মৃগের মাংস ভোজন করতেন ॥ ৪ ॥
হে রাজা ! বীর ও মহাধনুর্দ্ধর পাণ্ডবেরা যখন বনে বাস করছিলেন, তখন সান্নি ও নিরগ্নি অনেক ব্রাহ্মণ তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ॥ ৫ ॥
সহস্র সংখ্যক বহু মহাত্মা গৃহস্থ ব্রাহ্মণ এবং দশ সহস্র মোক্ষার্থী ব্রাহ্মণ সেখানে ছিলেন; যাঁদের যুধিষ্ঠির ভরণপোষণ করতেন ॥ ৬ ॥
পাণ্ডবেরা নানা রকমের বাণদ্বারা রুরুমৃগ, কৃষ্ণমৃগ এবং অন্যান্য পবিত্র পশু বধ করে ব্রাহ্মণদের নিবেদন করতেন ॥ ৭ ॥
সেই বনবাসের সময়ে পাণ্ডবদের মধ্যে কেউই মলিনবর্ণ, রোগী, কৃশ, দুর্বল, বিষণ্ণ, বা ভীত বলে দেখা যায়নি ॥ ৮ ॥
কৌরবশ্রেষ্ঠ ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির তার প্রিয় ভ্রাতাদের পুত্রদের ন্যায় এবং জ্ঞাতিবর্গকে সহোদরের ন্যায় পোষণ করতেন ॥ ৯ ॥
এবং যশস্বিনী দ্রৌপদী যেন মাতার ন্যায় [যেভাবে আহার পরিবেশন করে তেমন ভাবে] আগে নিজের পতিগণকে এবং সমস্ত ব্রাহ্মণদের ভোজন করিয়ে তারপরে নিজে অবশিষ্ট আহার করতেন ॥ ১০ ॥
যুধিষ্ঠির পূর্বদিকে, ভীম দক্ষিণদিকে, নকুল পশ্চিমদিকে এবং সহদেব উত্তরদিকে ধনুক ধারণ করে গমন করে মাংসের জন্য প্রতি দিন মৃগ (হরিণ) বধ করতেন ॥১১৪
পাণ্ডবগণ অর্জুনবিহীন অবস্থায় থাকার সর্বদাই তাঁর জন্য উৎকণ্ঠিত থেকে কাম্যক বনে সেই ভাবে বাস করতেন, বেদপাঠ করতেন, জপ করতেন এবং হোম করতেন ; এই অবস্থায় তাঁদেরও পাঁচ বৎসরই অতীত হয়েছিল ॥ ১২ ॥
__________________________________________________
🔶 বিশ্লেষণ : পাণ্ডবেরা মাংস আহার করতেন, তারা হাজার হাজার ব্রাহ্মণদের পশুমাংস ভোজন করিয়ে অতিথি সেবা করতেন। তাদের মধ্যে আজকালকারের নিরামিষাশীবাদীদের মতো পশু মাংসের প্রতি ঘৃণা ছিল না, আর না মাংসাহারীদের নিন্দা করতেন। বরং যে ব্রাহ্মণগণ জ্ঞানের চর্চা করতেন তাদেরও মাংসা আহার করাতেন, নিজেরাও তা আহার করে বেদপাঠ করতেন, উপাসনা, জপ করতেন। তারা কৃশাকার ছিলেন না। মাংস আহার করে বলবান শরীর বজায় রেখেছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই প্রিয় পাণ্ডবেরা দ্রৌপদী ও ব্রাহ্মণগণ সহ মাংস আহার করতেন। তাতে কোনো অধর্ম হয়নি, যদি অধর্ম হতো তাহলে সত্যের ধর্মাবতার যুধিষ্ঠির কখনো করতেন না। ভগবান শ্রীকৃষ্ণও তা করতে অনুমতি দিতেন না। আজকালকার তথাকথিত ধার্মিকেরা নতুন করে সনাতন ধর্মকে আমিষ নিরামিষের ভিত্তিতে বিভাজন করে কে ধার্মিক আর কে অধার্মিক তা নির্ণয় করতে নেমে পড়েছেন। হয়তো তারা পরমশৈব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের থেকেও বড় জ্ঞানী ভগবান এবং যুধিষ্ঠিরের থেকেও বড় ধর্মাবতার হয়ে পড়েছেন।
☝️ বিশেষ কথা : অনেক নিরামিষাশী ব্যক্তি এখন দাবী করতে পারে যে, মহাভারতের এই সব শ্লোক নকল বা এসব মাংসাহারী আমিষাশী ব্যক্তিদের দ্বারা মহাভারতে প্রবেশ করানো হয়েছে। আমি তাদের বলছি, মহাভারতের এই শ্লোক গুলিকে নীলকন্ঠ আচার্য টীকা ভাষ্য করে সম্পূর্ণ ভাবে বৈধ ও প্রামাণিক শ্লোক বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বহুকাল পূর্বে, সেই প্রমাণগুলি জোগাড় করে হরিদাস সিদ্ধান্ত বাগীশ ভট্টাচার্য পণ্ডিত মহাশয় ২১ বছর ধরে মহাভারতের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করে অনুবাদ করেছেন। তাঁরা মহান মহান পণ্ডিতবর্গ, তাদের সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতেই আজ মহাভারত বর্তমান প্রজন্মের কাছে উপলব্ধ হয়েছে। তাদের দেওয়া এত বিশাল শ্লোকের ভাণ্ডার সহ মহাভারত ও তার উপর করা টীকা ভাষ্য অনুবাদ কে কিছু মাংসাহারের উল্লেখ থাকার কারণে প্রক্ষিপ্ত ঘোষণা করলেই তা প্রক্ষিপ্ত হয়ে যাবে ? কখনোই তা প্রক্ষিপ্ত নয়। নিরামিষবাদীদের ভিত্তি যেহেতু কল্পনা ও আবেগের উপরে দাঁড়িয়ে আছে, তাই নিজেদের ভাবনাকে সর্বোপরি প্রমাণ করবার জন্য, সামগ্রিক সনাতন ধর্মের শাস্ত্রের সকল বচনকে বিচার বিবেচনা না করেই, প্রক্ষিপ্ত বলে উড়িয়ে দিতে চায়। কিন্তু শাস্ত্রের বিরুদ্ধে এহেন আচরণে তারা যে অধার্মিক প্রমাণিত হন, তা তাদের বোধগম্য হয় না। শাস্ত্রের বচন তাদের মনের মতো না হলেই তা জোরপূর্বক অস্বীকার করা বা সেটিকে প্রমাণহীন ভাবেই প্রক্ষিপ্ত ঘোষণা করাই তাদের শেষ পদ্ধতি। কিন্তু সনাতন ধর্ম শুধুমাত্র অনুমান করে নেওয়াকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেনা, যেখানে পূর্ব হতেই আচার্যগণের বচন আপ্তপ্রমাণ হিসেবে শ্লোকের বৈধতাকে নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। তাই নিরামিষবাদীদের ভিত্তিহীন দাবী সম্পূর্ণভাবে খণ্ডিত। বরং গীতাপ্রেস প্রকাশনী কট্টর নিরামিষাশী বৈষ্ণবমতবাদের নীরব সমর্থক হওয়ায় তারা তাদের প্রকাশিত মহাভারতের বহু শ্লোককে পরিবর্তন করেছে, কখনো কখনো শ্লোক বাদ দিয়ে অধ্যায় সংক্ষিপ্ত করে দিয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভাবে ধর্মবিরুদ্ধ কর্ম। তাদের চেয়ে বহু কালে পূর্বে নীলকণ্ঠ জীর টীকা ভাষ্য অনুযায়ী হরিদাস সিদ্ধান্ত বাগীশ ভট্টাচার্য পণ্ডিত মহাশয় বিশ্ববাণী প্রকাশনী থেকে মহাভারত প্রকাশ করেছেন। এর বহুকাল পরে গীতাপ্রেস মহাভারতের অনুবাদ করেছে নীলকন্ঠ আচার্যের টীকা ভাষ্য বাদ দিয়ে, এর কারণ হল নীলকণ্ঠ আচার্যের ভাষ্য ব্যবহার করলেই, শ্লোকগুলিকে উল্লেখ করে মাংসাহারকে বৈধ হিসেবেই অনুবাদ করে মান্যতা দিতে বাধ্য হতো গীতাপ্রেস। কিন্তু নিরামিষাশী গীতাপ্রেস ধূর্ত বুদ্ধির অবলম্বনে সেই মহাসংকটকে উতরে দিয়েছেন, নীলকন্ঠ আচার্যের টীকা ভাষ্য বাদ দিয়ে, ইচ্ছে মতো শ্লোক পরিবর্তন করে, অধ্যায় সংক্ষিপ্ত করে। এখন নিরামিষবাদীরা এই গীতাপ্রেসের করা কারচুপির কাণ্ড করে রাখা বিকৃত মহাভারত দেখিয়ে দাবী করতে পারে যে মহাভারতে এমন কিছু নেই, কিন্তু সেই দাবীও মান্য নয়। কেন সেই দাবী মান্য নয়, সেবিষয়ে কারণটা নতুন করে পুনরায় বলা বাহুল্যতা মাত্র। বুদ্ধিমানেরা বিবেচনা করে মীমাংসীত শাস্ত্রবচনকেই প্রমাণ জেনে প্রকৃত সত্য গ্রহণ করবেন।
__________________________________________________
🔥 সিদ্ধান্ত —
স্বয়ং পরমশৈব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় পাণ্ডবগণ সপত্নীক দ্রৌপদী সহ মাংসাহার করতেন, তৎকালীন ব্রাহ্মণেরা পশু মাংস আহার করেছেন। এটি মাংসাহারের সপক্ষে দৃষ্টান্তমূলক প্রমাণ। মাংস আহার করে তাদের কোনো প্রকারে দোষ হয়নি, তাই বর্তমানকালেও যারা শাস্ত্রে অনুমোদিত বিহিত পশু বধ করে মাংস আহার করেন, সেই আমিষভোজীরা কখনোই দোষের ভাগীদার নন। যারা ব্রহ্মজ্ঞানহীন ব্যক্তি, তারাই মাংসাহারের নিন্দা করেন।
__________________________________________________
🚩 তথ্য সংগ্রহকারী ও ব্যাখ্যাকার : শিবালয় প্রতিষ্ঠাতা শিবদ্বারাধীশাধ্যক্ষ দেশিক আচার্যপরমাধিকারী শ্রীশ্রীগুরু নন্দীনাথ শৈব আচার্যদেব 🚩
©️ কপিরাইট ও প্রচারে : Shivalaya 🔥
শৈব সনাতন ধর্ম সদা বিজয়তেতরাম্ 🚩
ॐ নমঃ পার্বতীপতয়ে হর হর মহাদেব 🚩
পরমেশ্বর শিবের ও সনাতন শৈবধর্মের বিষয়ে এমন গুহ্য সত্য রহস্য ও সত্য উন্মোচনমূলক লেখা আরো পেতে অবশ্যই আমাদের Shivalaya ফেসবুক পেজ Follow করে Favourite করে রাখুন। এই তথ্য দ্বারা যদি আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি হয়ে থাকে তবে অবশ্যই এই লেখাটি শেয়ার করুন, যাতে সত্য প্রকাশ্যে আসে।
#হিন্দুধর্ম #সনাতনধর্ম #শিবালয় #Shivalaya #sanatandharma #খাদ্যাভ্যাস #শৈবধর্ম #আমিষ #নিরামিষ #মাংসাহার #মহাভারত
[এই পোস্টটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।এখানে ব্যবহৃত চিত্রটি কেবল বিষয়টি সহজে উপস্থাপনের জন্য Ai-সহায়তায় নির্মিত একটি প্রতীকী চিত্র, এই ছবিটির মধ্যে কিছু লেখা আলাদা ভাবে লেখা হয়েছে। সকল শাস্ত্রীয় উদ্ধৃতি ও তথ্য যথাসম্ভব মূল গ্রন্থ অনুসারে ছবি উপস্থাপিত হয়েছে।]


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন