সকল দেবতার মধ্য দিয়ে অদ্বিতীয় পরমেশ্বর শিবই সকল দেবদেবীর ভক্তদের ইচ্ছে পূরণ করেন
কূর্মমহাপুরাণ বলছে —
এনমেকে বদন্ত্যগ্নিং নারায়ণপথাপরে ।
ইন্দ্রমেকে পরে প্রাণং ব্রহ্মানমপরে জগুঃ ॥
ব্রহ্মবিষ্ণুগ্নিবরুণাঃ সর্ব্বে দেবান্তথর্যয়ঃ ।
একস্যেবাথ রুদ্রস্য ভেদান্তে পরিকীর্ত্তিতাঃ ॥
যং যং ভেদং সমাশ্রিত্য যজন্তি পরমেশ্বরম্ ।
তত্ত্বদ্রুপং সমাস্থায় প্রদদাতি ফলং শিবঃ ॥
[কূর্মপুরাণ/উপরিভাগ/৪৪ অধ্যায়/৩৬-৩৮ নং শ্লোক]
✅ অর্থ : কোনো কোনো ব্যক্তি অগ্নিকে পরমাত্মা বলে থাকেন, কেউ নারায়ণকে, কেউ ইন্দ্রকে, কেউ প্রাণকে, কেউ বা ব্রহ্মাকে [একমাত্র] পরমাত্মা বলে থাকেন। কিন্তু, [প্রকৃতপক্ষে] ব্রহ্মা,বিষ্ণু, অগ্নি,বরুণ প্রভৃতি সকল দেবতা এবং সমস্ত ঋষিগণ এক রুদ্রেরই [বিভিন্ন রূপগত ও কার্যগত] ভেদমাত্র বলে পরিকীর্ত্তিত। সাধক যে যে ভেদ আশ্রয় করে পরমেশ্বরের [ভিন্ন ভিন্ন রূপে স্থিত দেবদেবীর] পূজা করেন, পরমেশ্বর রুদ্র সেই সেই [দেব দেবীর] রূপ আশ্রয় করে [সেই দেবতা বা দেবীর রূপের মধ্য দিয়ে] ফল প্রদান করে থাকেন ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন