আত্মজ্ঞানী অতিবর্ণাশ্রম নাকি বর্ণাশ্রম কোনটি সর্বশ্রেষ্ঠ ? শৈব আগম, বেদ, পুরাণ দ্বারা বিচার
বর্ণাশ্রমাচারযুতা বিমূঢ়াঃ কর্মানুসারেণ ফলং লভন্তে ।
বর্ণাদিধর্মং হি পরিত্যজন্তঃ স্বানন্দতৃপ্তাঃ পুরুষা ভবন্তি ॥ ১৭
বর্ণাশ্রমং সাবয়বং স্বরূপমাদ্যন্তযুক্তং হ্যতিকৃচ্ছ্রমাত্রম্ ।
পুত্রাদিদেহেষ্বভিমানশূণ্যং ভূত্বা বসেৎসৌখ্যতমে হ্যনন্ত ইতি ॥ ১৮
[সামবেদ/মৈত্রেয় উপনিষদ/১ম অধ্যায়/১৭-১৮ নং মন্ত্র]
অর্থ — বর্ণ এবং আশ্রম ধর্ম পালনকারী অজ্ঞানী ব্যক্তিই একমাত্র নিজের কর্মের ফল ভোগ করেন। কিন্তু বর্ণাদির ধর্ম ত্যাগ করে আত্মাস্বরূপে নিজের অস্তিত্বকে স্থিরকারী ভাবনাসম্পন্ন ব্যক্তিই পরমানন্দে পরিপূর্ণ হয়ে সন্তুষ্ট থাকেন ॥ ১৭
বর্ণ এবং আশ্রমের ধর্ম তথা সেই রকম ভাবেই অঙ্গ অবয়ব দ্বারা যুক্ত এই শরীর - এই সবই জন্ম-মৃত্যু সম্পন্ন হওয়ার কারণে অত্যন্ত কষ্টদায়ী ই বলে জানবে । অতএব পুত্র আদির শরীরের ওপর মোহ না রেখে পরমানন্দ রূপ অনন্ত আত্ম স্বরূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত। ।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন