সকল দেবদেবীর মধ্য দিয়ে অদ্বিতীয় পরমেশ্বর শিব‌ই তাদের ভক্তদের ইচ্ছে পূরণ করেন

 


🕉️ সকল দেবদেবীর মধ্য দিয়ে অদ্বিতীয় পরমেশ্বর শিব‌ই তাদের ভক্তদের ইচ্ছে পূরণ করেন

__________________________________________________

🔰 ভূমিকা — 

সকল দেবদেবীর রূপ একমাত্র পরমেশ্বর শিবই ধারণ করেছেন। যে ব্যক্তির যোগ্যতা যেমন সেই ব্যক্তির জন্য সেই দেবতা বা দেবীর রূপে মহাদেব তাকে কৃপা করেন। যে ব্যক্তি যে দেবতা বা দেবীর ভক্ত, সেই ব্যক্তি মোহবশত ভাবেন যে, তাঁর আরাধ্য দেবতা বা আরাধ্যা দেবী কৃপা করছেন, কিন্তু তা প্রকৃত সত্য নয়, সনাতন ধর্মের শাস্ত্রমতে পরমব্রহ্ম একজন-ই, আর সেই পরমব্রহ্মই হলেন সকল দেবতার আদিদেব মহাদেব শিব। এই বিষয়ে শাস্ত্র প্রমাণ উপস্থাপন করা হল।  

__________________________________________________

♦️ কূর্মমহাপুরাণ বলছে —


এনমেকে বদন্ত্যগ্নিং নারায়ণপখাপরে ।

ইন্দ্রমেকে পরে প্রাণং ব্রহ্মাণমপরে জগুঃ ॥ ৩৬ ॥

ব্রহ্মবিষ্ণ্বগ্নিবরুণাঃ সর্বে দেবাস্তথর্ষয়ঃ ।

একস্যেবাথ রুদ্রস্য ভেদাস্তে পরিকীর্ত্তিতাঃ ॥ ৩৭ ॥

যং যং ভেদং সমাশ্রিত্য যজন্তি পরমেশ্বরম্ ।

তৎ তদ্রুপং সমাস্থায় প্রদদাতি ফলং শিবঃ ॥ ৩৮ ॥

[কূর্মপুরাণ/উপরিভাগ/৪৪ অধ্যায়/৩৬-৩৮ ক্রমাঙ্ক শ্লোক]

✅ অর্থ : কোনো কোনো ব্যক্তি অগ্নিকে পরমাত্মা বলে থাকেন, কেউ নারায়ণকে, কেউ ইন্দ্রকে, কেউ  প্রাণকে, কেউ বা ব্রহ্মাকে [একমাত্র] পরমাত্মা বলে থাকেন। কিন্তু, [প্রকৃতপক্ষে] ব্রহ্মা,বিষ্ণু, অগ্নি,বরুণ প্রভৃতি সকল দেবতা এবং সমস্ত ঋষিগণ এক রুদ্রেরই [বিভিন্ন রূপগত ও কার্য‌গত] ভেদমাত্র বলে পরিকীর্তিত। সাধক যে যে ভেদ আশ্রয় করে পরমেশ্বরের [ভিন্ন ভিন্ন রূপে স্থিত দেবদেবীর] পূজা করেন, পরমেশ্বর রুদ্র সেই সেই [দেব দেবীর] রূপ আশ্রয় করে [সেই দেবতা বা দেবীর রূপের মধ্য দিয়ে] ফল প্রদান করে থাকেন ।


__________________________________________________


♦️ কূর্মপুরাণের বচনের সাথে সৌরপুরাণও একমত  —


পরমাত্মা যথা রুদ্র একোঽপি বহুদা স্থিতঃ ॥ ৬


[সৌরপুরাণ/৫১ অধ্যায়/৬ ক্রমাঙ্ক শ্লোক]


✅ অর্থ : পরমাত্মা রুদ্র (শিব) এক ও অদ্বিতীয় হয়েও বিভিন্ন রূপে বিরাজ করে স্থিত।


✳️ অথর্ববেদের অথর্ব‌-শির উপনিষদের ২য় কণ্ড‌িকার ১-৩২ নং শ্রুতিতে সকল দেবদেবীর রূপ ধারণ করে থাকা একমাত্র পরমেশ্বর শিব কে স্তুতি করা হয়েছে।


♦️ শিব মহাপুরাণ আরও বলছে  —


অন্যং ভজন্তি যে নিত্যং তস্মিংস্তে লীনতাং গতাঃ ।

তেনৈব রুদ্রং তে প্রাপ্তাঃ কালেন মহতা বুধাঃ ॥ ১৬ ॥

রুদ্রভক্তাস্তু যে কেচিত্তৎক্ষণং শিবতাং গতাঃ ।

অন্যাপেক্ষা ন বৈ তেষাং শ্রুতিরেষা সনাতনী ॥ ১৭ ॥


[শিবমহাপুরাণ/কোটিরুদ্রসংহিতা/৪২ অধ্যায়/১৬-১৭ ক্রমাঙ্ক শ্লোক]


✅ অর্থ : যে সমস্ত ব্যক্তি অন্য দেবতাকে নিত্য ভজনা করেন তারা সেই দেবতাতেই লীন হয়ে বহু সময় অতীত হলে অবশেষে সেই দেবতার মাধ্যমে পরমেশ্বর শিব কে প্রাপ্ত করার সৌভাগ্য লাভ করেন। কিন্তু যারা শিবভক্ত হয়েছেন, তারা ওই সময়েই সরাসরি শিবকে প্রাপ্ত করে নেন, কেননা, তাদের অন্য কোনো দেবদেবীর প্রয়োজন পড়ে না, ইহাই সনাতন শ্রুতি ॥ ১৬ - ১৭ ॥

__________________________________________________


🔹 ব্যাখ্যা —

কূর্মমহাপুরাণ, সৌরপুরাণ এবং শিবমহাপুরাণের উক্ত বচনগুলি একত্রে বিচার করলে একটি সুসংবদ্ধ তত্ত্ব প্রকাশিত হয় — বহু দেবদেবীর রূপের অন্তরালে পরমতত্ত্ব এক, এবং সেই অদ্বিতীয় পরমতত্ত্ব হলেন পরমেশ্বর রুদ্র বা শিব।


কূর্মমহাপুরাণে বলা হয়েছে—ব্রহ্মা, বিষ্ণু, অগ্নি, বরুণ প্রভৃতি দেবতা এবং অন্যান্য দেবশক্তির বিভিন্ন ভেদ মূলত এক রুদ্রেরই বিভিন্ন প্রকাশ। সাধক যে যে দেবতার রূপকে আশ্রয় করে পরমেশ্বরের উপাসনা করেন, শিব সেই সেই রূপ ধারণ করেই তাঁকে ফল প্রদান করেন। অর্থাৎ ভক্তের আরাধ্য দেবতার রূপ আলাদা হলেও তার অন্তরালে ফলদাতা পরমেশ্বর এক।


এই তত্ত্বকে সৌরপুরাণ আরও সংক্ষেপে ঘোষণা করেছে—


“পরমাত্মা যথা রুদ্র একোঽপি বহুদা স্থিতঃ।”

অর্থাৎ, পরমাত্মা রুদ্র এক হয়েও বহুরূপে অবস্থান করেন।


এই বাক্যটি কূর্মপুরাণের বক্তব্যের সঙ্গে যুক্ত করলে বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার হয়। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, অগ্নি, বরুণ, ইন্দ্র প্রভৃতি বিভিন্ন দেবরূপের বহুত্ব থাকলেও তাদের অন্তর্নিহিত পরমসত্তা এক। সেই এক রুদ্রই বিভিন্ন দেবরূপে প্রকাশিত হয়ে ভক্তের উপাসনা গ্রহণ করেন এবং তাঁর অভীষ্ট ফল প্রদান করেন।


বেদ তো এই বচন কে প্রামাণিকতা দিয়েই রেখেছে।


এরপর শিবমহাপুরাণের কোটিরুদ্রসংহিতা এই তত্ত্বের আরও একটি দিক প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছে —


“অন্যং ভজন্তি যে নিত্যং…” — যারা অন্য দেবতা বা দেবীকে নিত্য ভজনা করেন, তারা প্রথমে সেই দেবতার মধ্যে লীনতা লাভ করেন এবং সেই দেবতার মাধ্যমেই পরবর্তীকালে রুদ্রকে প্রাপ্ত হন।


🔶 স্কন্ধ মহাপুরাণের সূত সংহিতা/যজ্ঞবৈভবখণ্ড/পূর্বভাগ/২৫ তম অধ্যায়ে — একটি কাহিনী বর্ণিত হয়েছে যেখানে শ্রীবিষ্ণু নিজের এক বৈষ্ণবভক্তকে মোক্ষলাভের জন্য শিবের ভক্তি করার উপদেশ দেন। 


♦️ আবার, শিব মহাপুরাণে ই ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণু জী নারদকে বলেছেন যে, 👇


অদ্যত সত্বং ভব মুনে শৈবঃ শিবপরায়ণঃ ।

মুক্তিভাগী বিশেষেণ শিবস্তে শং বিধাস্যতি ॥৭৫


[তথ্যসূত্র : শিবমহাপুরাণ রুদ্রসংহিতা ১ম খণ্ড/৪ অধ্যায়]


✅ অর্থ : হে নারদ মুনে ! আজ থেকে শিবারাধনা করে শৈব হয়ে যাও এবং বিশেষ মুক্তি হিসেবে মোক্ষের ভাগী হও, পরমেশ্বর শিব তোমার কল্যাণ করবেন ॥৭৫


♦️বৈষ্ণবেরাও অন্তিম গতি পাবার জন্য শিবের মার্গেই উপনিত হয়ে তবেই মোক্ষলাভ করতে পারে, অর্থাৎ বৈষ্ণব হোক বা যে কোনো মতবাদের অনুসারী ব্যক্তি হোক, সকলেই মোক্ষলাভের জন্য শেষপর্যন্ত পরমেশ্বর শিবের কাছেই এসে পড়ে, পুষ্পদন্ত রচিত শিবমহিম্ন স্তোত্র থেকে প্রমাণ 👇


ত্রযী সাঙ্খ্যং যোগঃ পশুপতিমতং বৈষ্ণবমিতি

প্রভিন্নে প্রস্থানে পরমিদমদঃ পথ্যমিতি চ ।

রুচীনাং বৈচিত্র্যাদৃজুকুটিল নানাপথজুষাং

নৃণামেকো গম্যস্ত্বমসি পযসামর্ণব ইব ॥ ৭


[শিবরহস্য মহা ইতিহাস/৭ম অংশ/উত্তর ভাগ/১৩তম অধ্যায়/পুষ্পদন্ত রচিত শিবমহিম্ন স্তোত্র]


 অর্থ — ঋগ্বেদ-যজুর্বেদ-সামবেদ ইত্যাদি ত্রয়ী, সাংখ্যশাস্ত্র, যোগশাস্ত্র, অবৈদিকধারার পাশুপতমত, বৈষ্ণবমত আদি বিভিন্ন মার্গ আছে, এর মধ্যে (তারা সবাই বলে) আমাদের এই মার্গটিই উত্তম, আমাদের মার্গ ই লাভপ্রদ(অন্য গুলি নয়)। এই প্রকারে বলতে থাকা সাধকদের জন্য হে শিব আপনিই একমাত্র প্রাপ্তব্য(গন্তব্য) মোক্ষদাতা আছেন। যেমন সোজা ও বাঁকা পথে বয়ে চলা সমস্ত নদীই অন্তিমে সমুদ্রে গিয়ে পৌঁছে যায়, সেই ভাবেই সমস্ত প্রকারের মতানুসারীগণেরা অন্তিমকালে হে শিব আপনার কাছেই পৌঁছায়।


♦️ পরমেশ্বর সদাশিব‌ই যে বৈষ্ণবদের‌ও অন্তিম গতি, সেটির প্রমাণ শিবমহাপুরাণের থেকে প্রমাণ দেখুন, পরমেশ্বর ভগবান রুদ্রদেব নিজেই বিষ্ণুজীকে বলেছেন, যে👇 


ত্বদ্ ভক্তানাং ময়া বিষ্ণো দেয়ং নির্বাণমুত্তমম্ ॥২৩


[তথ্যসূত্র - শিবমহাপুরাণ/রুদ্র সংহিতা/সতীখণ্ড/২৫ অধ্যায়]


অর্থ - হে বিষ্ণু ! আমি (অর্থাৎ শিব) তোমার ভক্ত বৈষ্ণবদের‌ও উত্তম মোক্ষ প্রদান করবো ।


অন্যদিকে —


“রুদ্রভক্তাস্তু যে কেচিত্তৎক্ষণং শিবতাং গতাঃ।”


অর্থাৎ যারা সরাসরি রুদ্রের ভক্ত, তারা তৎক্ষণেই শিব লাভ করেন, কারণ —


“অন্যাপেক্ষা ন বৈ তেষাম্” — তাঁদের অন্য কোনো দেবতার উপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই।

 অন্য দেবদেবীর উপর নির্ভর করবার প্রয়োজন নেই বলবার তাৎপর্য হল — সেই শিবভক্ত ঐ দেবদেবীদের অবলম্বনের পথ ইতিমধ্যে [ক্রমানুসারে জন্ম জন্মান্তরে] পেরিয়ে শিবের প্রতি ভক্তি অনুভব করবার মার্গে তিনি চলে এসেছেন, তাই অন্য দেবদেবীর পথে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই, তবে সকল দেবদেবীর মধ্যে পরমেশ্বর শিব‌ই অন্তর্যামী কারণাত্মারূপে বিরাজমান, এই ভাবনা করাই সর্বশ্রেষ্ঠ আত্মজ্ঞানী শৈব-র পরিচয়, আর প্রকৃত শিবভক্ত এমন‌ই ভাবনা করে থাকেন। 


♦️ এবিষয়ে আরো শাস্ত্র, প্রমাণ দেখুন 👇 


স্কন্দমহাপুরাণের সূতসংহিতার যজ্ঞবৈভবখণ্ডের উপরিভাগের অন্তর্গত সূতগীতার ২য় অধ্যায়ের ৩২নং শ্লোক থেকে ৩৫নং শ্লোকে বলা হয়েছে  —


যে সমস্ত ব্যক্তিরা যথাশক্তি হরি ব্রহ্মা আদি দেবতাদের পূজা করে থাকে সে সমস্ত ব্যক্তিদের শীঘ্রই মোক্ষ লাভ হয় না , ধীরগতিতে ক্রমে ক্রমে শিবকৃপাপ্রাপ্তি হবার পর‌ই মোক্ষ লাভ হয় ॥৩২

যে ব্যক্তি যথাশক্তি রুদ্রদেবের পূজার্চনা করেন সেই ব্যক্তির অতি শীঘ্রই মোক্ষ লাভ হয়ে যায়, কারণ সেক্ষেত্রে কোনো ক্রমের আবশ্যকতা থাকে না ॥৩৩

রুদ্ররূপ এর দ্বারা রুদ্রদেব অন্য দেবতাদের চেয়ে বরিষ্ঠ — বড় — এইরকম ভাবনা নিশ্চিত ভাবেই মোক্ষদায়ক ॥৩৪

গুণ‌উপাধির মধ্যে অভিমানসম্পন্ন শ্রীবিষ্ণু আদি দেবতা রুদ্রদেবের থেকে বরিষ্ঠ(শ্রেষ্ঠ) — এমন ভাবনা করাটাই সংসারচক্রে আবদ্ধ হয়ে মোক্ষলাভ করতে অক্ষম হবার মূল কারণ হয় ॥৩৫


এবার তিনটি শাস্ত্রের বক্তব্যকে একত্র করলে ধারাটি দাঁড়ায় —


🔸 সৌরপুরাণ : এক রুদ্রই বহুরূপে অবস্থান করেন।


🔸 কূর্মপুরাণ : সাধক যে দেবরূপেই উপাসনা করুন, রুদ্র সেই রূপ ধারণ করে তাঁকে ফল প্রদান করেন।


🔸 শিবমহাপুরাণ : অন্য দেবতার উপাসক সেই দেবতার মাধ্যমে দীর্ঘকালে রুদ্রপ্রাপ্ত হন ; কিন্তু রুদ্রভক্ত সরাসরি শিবতত্ত্ব লাভ করেন।


অতএব, দেবদেবীর বহুরূপতা এখানে পরমতত্ত্বের বহুত্বকে নির্দেশ করেনি ; বরং এক পরমেশ্বরের অভিন্ন বহুরূপ প্রকাশকে নির্দেশ করে। বিভিন্ন দেবতার উপাসনা বিভিন্ন স্তর ও পথে অগ্রসর হতে পারে, কিন্তু পরম লক্ষ্য হিসেবে শিবপ্রাপ্তিই শেষ পরিণতি হিসেবে প্রতিপাদিত হয়েছে।

__________________________________________________

🔥 সিদ্ধান্ত —

কূর্মপুরাণ, সৌরপুরাণ ও শিবমহাপুরাণের এই তিনটি বচন একত্রে বিচার করলে পরমেশ্বর শিবের সর্বোচ্চ অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট হয়।


রুদ্র এক, কিন্তু বহুরূপে প্রকাশিত। বিভিন্ন দেবতার রূপে তিনিই অবস্থান করেন, ভক্তের উপাসনা গ্রহণ করেন এবং তাঁর অভীষ্ট ফল প্রদান করেন। অন্য দেবতার উপাসক সেই দেবতার মাধ্যমেই শেষপর্যন্ত রুদ্রকে প্রাপ্ত হন ; কিন্তু যে ব্যক্তি সরাসরি রুদ্রের উপাসনা করেন, তাঁর অন্য কোনো মধ্যবর্তী আশ্রয়ের প্রয়োজন হয় না।


সুতরাং দেবতার রূপ বহু হলেও পরম লক্ষ্য এক —পরমেশ্বর শিব।

বহু দেবদেবীরূপের অন্তরালে যিনি এক, সকল উপাসনার অন্তিম আশ্রয় যিনি এবং যাঁকে প্রত্যক্ষভাবে আশ্রয় করলে অন্য কোনো মধ্যস্থতার প্রয়োজন থাকে না, তিনিই সনাতন ধর্মের অদ্বিতীয় পরমেশ্বর শিব। 🚩

__________________________________________________


🚩 তথ্য সংগ্রহ ও সত্য উন্মোচনে : শিবালয় প্রতিষ্ঠাতা শিবদ্বারাধীশাধ্যক্ষ দেশিক আচার্যপরমাধিকারী শ্রীপাদযুক্ত শ্রীগুরু নন্দীনাথ শৈব আচার্যদেব জী 🚩


©️ কপিরাইট ও প্রচারে : Shivalaya 🔥


শৈব সনাতন ধর্ম সদা বিজয়তেতরাম্ 🚩

ॐ নমঃ পার্বতীপতয়ে হর হর মহাদেব 🚩


পরমেশ্বর শিবের ও সনাতন শৈবধর্মের বিষয়ে এমন গুহ্য সত্য রহস্য ও সত্য উন্মোচনমূলক লেখা আরো পেতে অবশ্য‌ই আমাদের Shivalaya ফেসবুক পেজ Follow করে Favourite করে রাখুন। এই তথ্য দ্বারা যদি আপনার জ্ঞান বৃদ্ধি হয়ে থাকে তবে অবশ্য‌ই এই লেখাটি শেয়ার করুন, যাতে সত্য প্রকাশ্যে আসে।


#হিন্দুধর্ম #সনাতনধর্ম #শিবালয় #Shivalaya #sanatandharma #শিব  #শৈবধর্ম #রুদ্র #পরমেশ্বরশিব #পরমব্রহ্মশিব #কূর্মপুরাণ #স্কন্দমহাপুরাণ # #শিবমহাপুরাণ #সৌরপুরাণ #শিবমহিম্নস্তোত্র #শিবরহস্যমহৈতিহাস


[এই পোস্টটি শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত।এখানে ব্যবহৃত চিত্রটি কেবল বিষয়টি সহজে উপস্থাপনের জন্য Ai-সহায়তায় নির্মিত একটি প্রতীকী চিত্র, এই ছবিটির মধ্যে কিছু লেখা আলাদা ভাবে লেখা হয়েছে। সকল শাস্ত্রীয় উদ্ধৃতি ও তথ্য যথাসম্ভব মূল গ্রন্থ অনুসারে ছবি উপস্থাপিত হয়েছে।]






মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ