শিবারূঢ়ো শব্দের অর্থ — রুদ্রের কোলে আরোহনকারী মোহিনীরূপী বিষ্ণু

 


🔥 শিবারূঢ়ো শব্দের অর্থ — রুদ্রের কোলে আরোহনকারী মোহিনীরূপী বিষ্ণু

__________________________________________

🔰 ভূমিকা — পদ্মপুরাণে থাকা বিষ্ণুর সহস্রনামের মধ্যে শিবারূঢ় শব্দের অর্থকে অপব্যাখা করে প্রচার করে বেড়াচ্ছে।

অশোক এই শিবারুড়াে শব্দের অর্থ : বের করেছে বিষ্ণু শিবের উপরে আরোহন করেন। কিন্তু এই অর্থ দ্বারা অসুর অশোক ‘শিবের মাথার উপর বিষ্ণু পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে’ এমন — ছবি বানিয়ে ফেলেন। প্রচার শুরু করলেন, যা অতিমাত্রায় অসভ্য ও হাস্যকর বিষয়।


কোনো শব্দ দিয়ে সেটির ছবি তৈরী করে প্রচার করতে গেলে, উক্ত শব্দের সম্পূর্ণ ঘটনার বিবরণ থাকতে হবে। কিন্তু অশোক আক্ষরিক অর্থ ধরে নিজের শিববিদ্বেষযুক্ত অপবিত্র চিত্ত থেকে কাল্পনিক শাস্ত্রীয় ছবি তৈরী করে ফেলেছে। অথচ এমন কোনো ঘটনা উল্লেখ কোনো পুরাণে নেই। তাই এসব ছবি অসভ্যতার পরিচয়। তাই তার এই ছবি ও অর্থের খণ্ডন করে সত্য উপস্থাপন করবো।

__________________________________________


❌ বৈষ্ণব অসুর অশোক সরকারের দাবী —

পদ্মমহাপুরাণ/উত্তরখণ্ড/অধ্যায় ৭১/শ্লোক ১৯৭ :

শিব কর্তৃক কথিত বিষ্ণুসহস্রনাম শ্লোক ১৯৭ এর মধ্যে থাকা নাম শিবারুড়াে (অর্থঃ যিনি শিবের উপর আরুড় হয়ে আছেন)

অর্থাৎ বিষ্ণু শিব উপর আরোহন করে আছেন।

__________________________________________

শৈবপক্ষ থেকে খণ্ডন — কোথাও কোনো নাম উল্লেখ পেলেই সেটার আক্ষরিক অর্থ বের করে ধরে নিজের ইচ্ছেমতো আরুঢ়ো হবার অজুহাত দেখিয়ে ‘শিবের মাথার উপরে বিষ্ণু পা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে’ এমন ছবি বানিয়ে প্রচার করবেন — তো গ্রহণযোগ্য নয়। 

পা ষ ণ্ড একটা শব্দ পর্যন্ত সঠিক ভাবে লিখতে পারে না। সে এসেছে শাস্ত্র ব্যাখ্যা করতে।


এবার শিবারূঢ়ো শব্দের প্রকৃত অর্থ দেখুন 👇 

যে বিষ্ণু মোহিনী অবতাররূপে শিবের কোলে উঠে অবস্থান করছেন সেই বিষ্ণুকে শিবারূঢ়ো বলে। 


অর্থাৎ বিষ্ণু শিবের উপরে আরোহন করে ঠিক‌ই কিন্তু সেটা মোহিনী রূপে রমন আনন্দ লাভের জন্য।


♦️ মোহিনীর থেকে উৎপন্ন শিবপুত্র শাস্তার কাহিনী দেখুন —


শাস্তা উৎপত্তিঃ।

পুনঃ কদাচিচ্ছ্রীকান্তো ন্যগ্রোধবন ঈশ্বরম্ ॥ ২৫

আরাধ্যাস্মাদ্ বরং বদ্রে প্রসন্নাৎ পার্বতীপতেঃ ।

ত্বয়া রন্তুমপেক্ষেশাধুনা ভূত্বা রমণ্যহম্ ॥ ২৬

দেয়ো বরো মমাধীশ প্রসন্নো যদি শঙ্কর ।

দত্বৈবমীশ্বরস্তস্মৈ বরমন্তর্ধিমায়যৌ ॥ ২৭

ততস্তু কারণে দেবমমৃতং ক্ষীরসাগরাৎ ।

গৃহীতমসুরৈর্ বিষ্ণুর্ মোহিন্যাকারমাস্থিতঃ ॥ ২৮

তেনাসুরান্ মোহয়িত্বা পায়য়িত্বামৃতং সুরান্ ।

ঊর্ধ্বরেতসমীশানমপি মোহমুপানযৎ ॥ ২৯

রমমাণো মহেশেন মোহিন্যাকারমস্থিতঃ ।

লেভে চ পুত্রং শাস্তারং কামারাতেরপীশ্বরাৎ ॥ ৩০

[স্কন্দ মহাপুরাণ/শঙ্কর সংহিতা/শিব রহস্য খণ্ড/উপদেশ কাণ্ড/অধ্যায় ৬৬]

অর্থ — 

শাস্তা নামক একজন শিবগণের উৎপত্তির কাহিনী -

একসময় ন্যগ্রোধ অরণ্যে শ্রীকান্ত ভগবান বিষ্ণু - ঈশ্বর শিবের উপাসনা করলেন এবং শিব সন্তুষ্ট হলে পার্বতীপতির কাছে একটি বর প্রার্থনা করলেন। বিষ্ণু প্রার্থনা করে বললেন —

“হে প্রভু! যদি আপনি সন্তুষ্ট হন, তবে আমায় এই বর দিন— আমি আপনার সঙ্গে মিলন-রস অনুভব করার জন্য এক অতুল সুন্দরী নারীর রূপ ধারণ করতে চাই।”

ভগবান শংকর সেই বর প্রদান করলেন এবং তারপর অন্তর্ধান করলেন ॥ ২৫–২৭ ॥

পরবর্তীতে দেব-দানবরা যখন অমৃত লাভের জন্য ক্ষীরসাগর সমুদ্র মন্থন করল, তখন অমৃত দানবরা ছিনিয়ে নিল। তাদের প্রতারণা করার জন্য ভগবান বিষ্ণু মোহিনী রূপ ধারণ করলেন। সেই মায়ার মোহে পড়ে দানবরা প্রতারিত হল এবং দেবতারা অমৃত পান করতে সক্ষম হল।

এমনকি রুদ্র — যিনি সাধারণত জাগতিক কামনা-বাসনার অতীত — তিনিও মোহিনীর এই রূপে মুহূর্তের জন্য নিজের দেওয়া বরদানের কারণে মোহিত হলেন। মোহনরূপী বিষ্ণুর সঙ্গে মিলন-আনন্দে নিমগ্ন হয়ে রুদ্র এক পুত্রের জন্ম দিলেন।

এইভাবে জন্মলেন শাস্তা (অয়্যাপ্পা) — কামদেবের শত্রু রুদ্রের পুত্র, যিনি মোহিনী রূপী বিষ্ণুর দৈব সংযোগে আবির্ভূত ॥ ২৮–৩০ ॥

__________________________________________


🤔 কেন রুদ্রদেব মোহিনীর প্রতি আকর্ষিত হলেন ?


✳️ উত্তর : শিবের কাছে বিষ্ণুই নারীরূপে মিলিত হবার আনন্দ পেতে চেয়েছিলেন, শিব বরদান দিয়েছিলেন। তাই রুদ্রদেব সেই বরদান সফল করেছেন মাত্র।  প্রমাণ 👇 

🔶 স্কন্দমহাপুরাণ-এ বলা হয়েছে —

পুনঃ কদাচিচ্ছ্রীকান্তো ন্যগ্রোধবন ঈশ্বরম্ ॥ ২৫

আরাধ্যাস্মাদ্ বরং বদ্রে প্রসন্নাৎ পার্বতীপতেঃ ।

ত্বয়া রন্তুমপেক্ষেশাধুনা ভূত্বা রমণ্যহম্ ॥ ২৬

দেয়ো বরো মমাধীশ প্রসন্নো যদি শঙ্কর ।

দত্বৈবমীশ্বরস্তস্মৈ বরমন্তর্ধিমায়যৌ ॥ ২৭

ততস্তু কারণে দেবমমৃতং ক্ষীরসাগরাৎ ।

গৃহীতমসুরৈর্ বিষ্ণুর্ মোহিন্যাকারমাস্থিতঃ ॥ ২৮

তেনাসুরান্ মোহয়িত্বা পায়য়িত্বামৃতং সুরান্ ।

ঊর্ধ্বরেতসমীশানমপি মোহমুপানযৎ ॥ ২৯

রমমাণো মহেশেন মোহিন্যাকারমস্থিতঃ ।

লেভে চ পুত্রং শাস্তারং কামারাতেরপীশ্বরাৎ ॥ ৩০

[স্কন্দ মহাপুরাণ/শঙ্কর সংহিতা/শিব রহস্য খণ্ড/উপদেশ কাণ্ড/অধ্যায় ৬৬]

✅ অর্থ — একসময় ন্যগ্রোধ অরণ্যে শ্রীকান্ত ভগবান বিষ্ণু - পরম ঈশ্বর শিবের উপাসনা করলেন এবং শিব সন্তুষ্ট হলে পার্বতীপতির কাছে একটি বর প্রার্থনা করলেন। শ্রীবিষ্ণু প্রার্থনা করে বললেন —

“হে প্রভু ! যদি আপনি সন্তুষ্ট হন, তবে আমায় এই বর দিন — আমি আপনার সঙ্গে মিলন-রস ভাব অনুভব করবার জন্য এক অতুল সুন্দরী নারীর রূপ ধারণ করতে চাই।”

ভগবান শংকর সেই বর প্রদান করলেন এবং তারপর অন্তর্ধান করলেন ॥ ২৫–২৭ ॥

পরবর্তীতে দেব-দানবরা যখন অমৃত লাভের জন্য ক্ষীরসাগর সমুদ্র মন্থন করল, তখন অমৃত দানবরা ছিনিয়ে নিল। তাদের প্রতারণা করার জন্য ভগবান বিষ্ণু মোহিনী রূপ ধারণ করলেন। সেই মায়ার মোহে পড়ে দানবরা প্রতারিত হল এবং দেবতারা অমৃত পান করতে সক্ষম হল।

এমনকি রুদ্র — যিনি সাধারণত জাগতিক কামনা-বাসনার অতীত — তিনিও মোহিনীর এই রূপে মুহূর্তের জন্য নিজের দেওয়া বরদানের কারণেই মোহিত হলেন। বিষ্ণুর নারী অবতাররূপী মোহনীর সঙ্গে মিলন-আনন্দে নিমগ্ন হয়ে রুদ্র এক পুত্রের জন্ম দিলেন।

এইভাবে জন্মলেন শাস্তা (লোকমতে নাম - আয়াপ্পা) — কামদেবের শত্রু রুদ্রের পুত্র, যিনি মোহিনী রূপী বিষ্ণুর দৈব সংযোগে আবির্ভূত ॥ ২৮–৩০ ॥

__________________________________________

🤔 তাহলে কি রুদ্রদেব পুরুষের সহিত মিলিত হয়েছিলেন ?


✳️ উত্তর — না, দেহটি নারী বা পুরুষের হতে টারে। আত্মা নির্দিষ্ট ভাবে নারীপুরুষ নন, আত্মা নারী বা পুরুষের রূপ ধারণ করে নিজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে মাত্র। এখানে বিষ্ণু - সদাশিবের পত্নী শিবা (ত্রিপুরা সুন্দরী) দেবীর কাছ থেকে মোহিনী রূপ বরদান রূপে পেয়েছিলেন। তাই এখানে মূলত বিষ্ণুর পুরুষ দেহের অস্তিত্ব ছিল না, এখানে সম্পূর্ণ ভাবে মাতা পরাশক্তির দেহ রূপ বিদ্যমান ছিল যার মধ্যে বিষ্ণুর সূক্ষ্মদেহ সমন্বিত আত্মা অবস্থান করছিল।  তাই তাঁকে বিষ্ণুর অবতার বলা হয়। কিন্তু মহাদেব মিলিত হয়েছিলেন দেবী আদ্যাশক্তি পার্বতী দেবীর সহিত‌ই। প্রমাণ 👇 


🔶 ব্রহ্মাণ্ড মহাপুরাণে বলা হয়েছে —

এতস্মিন্নন্তরে বিষ্ণুঃ সর্বলোকৈকরক্ষকঃ।

সম্যগারাধয়ামাস ললিতাং স্বৈক্যরূপিণীম্ ॥ ৪ ॥

ভগবানপি যোগীন্দ্রঃ সমারাধ্য মহেশ্বরীম্।

তদেকধ্যানযোগেন তদ্রূপঃ সমজায়ত ॥ ৭ ॥

সর্বসম্মোহিনী সা তু সাক্ষাচ্ছৃঙ্গারনায়িকা।

সর্বশৃঙ্গারবেষাঢ্যা সর্বাভরণভূষিতা ॥ ৮ ॥

সুরাণামসুরাণাং চ নিবার্য রণমুল্বণম্।

মন্দস্মিতেন দৈত্যান্ মোহয়ন্তী জগাদ হ ॥ ৯॥

[ব্রহ্মাণ্ড পুরাণ/উত্তরপাদ (৪)/ [ললিতোপাখ্যান] অধ্যায় ১০/৪,৭-৮ নং শ্লোক]

✅ অর্থ : এই সময়ে, সমগ্র লোকের একমাত্র রক্ষক ভগবান বিষ্ণু নিজের স্বরূপের সঙ্গে একাত্ম ললিতা দেবীকে আরাধনা করে সন্তুষ্ট করলেন ॥ ৪ ॥

যোগীদের মধ্যে নেতারূপ ভগবান বিষ্ণু মহেশ্বরীকে সন্তুষ্ট করলেন। কেবল তাঁর (ললিতার) ধ্যান করেই তিনি তাঁর মতোই ললিতারূপী সুন্দর রূপ ধারণ করলেন ॥ ৭ ॥

[ঐ মোহিনীরূপ ধারণ করে] তিনি সকলকে মোহিত ও মন্ত্রমুগ্ধ করে দিতেন, তিনি প্রেমভাবের যেন স্বয়ং নায়িকা ছিলেন। তিনি আকর্ষণীয় বস্ত্র পরিধান করেছিলেন এবং সকল অলংকারে সুশোভিতা ছিলেন ॥ ৮ ॥

যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধরত দেবতা ও দানবদের সরিয়ে (আলাদা করে) মহাদেবী মৃদু হাস্যে দানবদের মোহিত করলেন [ও তাদের উদ্দেশ্যে বললেন] — ॥ ৯ ॥

__________________________________________

🤔 তাহলে বিষ্ণু‌ই কেন নারী হয়ে শিবের সহিত আনন্দ লাভ করতে চেয়েছিলেন ? 


✳️ উত্তর : কারণ বিষ্ণু হল প্রকৃতি তত্ত্ব, তাই পার্বতী দেবী ও বিষ্ণু উভয়েই এক, তথাপি সৃষ্টির লীলার জন্য প্রকৃতি তত্ত্বের মধ্যে একজন নারীরূপে পার্বতী, আর একজন প্রাকৃতিক তত্ত্বের যধ্যে  পুরুষ রূপে বিষ্ণু হয়েছেন। কিন্তু উভয়ে ই হলেন প্রকৃতিতত্ত্ব, যা নারীত্বের একটি সংকেত। তাই বেদে বলা হয়েছে —


 “যা উমা সা স্বয়ং বিষ্ণু” 

[কৃষ্ণ-যজুর্বেদ/রুদ্রহৃদয় উপনিষদ/৪ নং মন্ত্র]


✅ অর্থ : যিনি উমা তিনিই স্বয়ং বিষ্ণু।

তাই শিব নিজ স্ত্রীর সহিত‌ই মিলিত হয়েছেন, এতে আর সংশয় নেই।


কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে অসুর অশোক কুমার ! শিবারূঢ়ো শব্দের অপব্যাখ্যা দ্বারা বিষ্ণুকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে গিয়ে, বিষ্ণুকে দেবীশক্তির প্রাকৃতিক রূপ বলে প্রমাণ করে দেওয়ার পথ দেখিয়ে দিয়েছে। 


🔥 শেষ প্রমাণ  —


মোহিনীরূপমাস্থায় বিষ্ণুঃ শম্ভুমুপাগমৎ ।

শম্ভোরঙ্কমথারুহ্য রেমে তেন সহ প্রভুঃ ॥

শিবারূঢ় ইতি খ্যাতো মোহিনীরূপধৃগ্ হরিঃ ।

শম্ভোরঙ্কে সুখং লেভে তস্মাদ্ বিষ্ণু্মহাত্মা সঃ ॥


[শ্রীমুখ শৈবোপাগম/২১ পটল/৩৩-৩৪]


✅ অর্থ : মোহিনীরূপ ধারণ করে বিষ্ণু শম্ভুর নিকট উপস্থিত হলেন। তাঁর অঙ্কে আরোহণ করে তিনি শিবের অঙ্কস্থিত হয়ে রমণ করলেন। মোহিনীরূপধারী সেই বিষ্ণু ‘শিবারূঢ়’ নামে প্রসিদ্ধ হলেন; কারণ তিনি শম্ভুর অঙ্কে সুখ লাভ করেছিলেন — এই কারণেই সেই মহাত্মা হরি ‘শিবারূঢ়’ নামে অভিহিত।


বৈষ্ণব অসুর অ শোক সরকারের ভণ্ডামি ফাঁস হল।


 কি হে বৈষ্ণবাসুর অশোক সরকার — ঔষধ ঠিক আছে তো ?

সব অপপ্রচারের জবাব আসবে। 

অপেক্ষা করুন - অসত্যবাদী মধ্বাচার্যের  অনুসারী। আপনার করা শিবনিন্দার সব অজুহাতের পথ বন্ধ হবে। 

__________________________________________

🚩 তথ্য সংগ্রহ ও লেখনীতে : শিবালয় প্রতিষ্ঠাতা শিবদ্বারাধীশাধ্যক্ষ আচার্যপরমাধিকারী শ্রীগুরু নন্দীনাথ শৈব আচার্যদেব 🚩 

©️ কপিরাইট ও প্রচারে : Shivalaya 🔥 


শৈব সনাতন ধর্ম সদা বিজয়তেতরাম্ 🚩 

ॐ নমঃ পার্বতীপতয়ে হর হর মহাদেব 🚩 


#হিন্দুধর্ম #সনাতনধর্ম #শিবালয় #shiva #শিব #পরমেশ্বরশিব #বৈষ্ণবমতবাদখণ্ডন #বৈষ্ণবাসুরঅশোকসরকারদমন


মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ