জিহাদী দয়ানন্দ সরস্বতী বলছেন — যুদ্ধতে স্ত্রীগণ ধন সম্পত্তি আদির মতোই লুটে নেবার এবং ভাগ করে নেবার বস্তু।
নমঃ শিবায়
বর্তমান সময়ে আমাদের সনাতনীদের বোকা বানিয়ে আর্যসমাজীরা নিজেদের দল ভারী করছে যা আমাদের সকল সনাতনী দের জন্য অত্যন্ত বিপদজ্জনক।
তাই আর্য সমাজীদের গুরু দয়ানন্দ সরস্বতীর পর্দা ফাঁস করে সত্য উদ্ঘাটনের জন্য এই আর্টিকেল টি লেখা হয়েছে। পাঠকবৃন্দের কাছে অনুরোধ, শেষ পর্যন্ত পড়ে বিচার করুন ।
সত্যার্থ প্রকাশের ষষ্ঠ সমুল্লাসে... স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী লিখেছেন,
রথাশ্বং হস্তিনং ছত্রং ধনং ধান্যং পশূন্ স্ত্রিয় ।
সর্বদ্রব্যাণি কুপ্যং চ য়ো য়জ্জয়তি তস্য তৎ॥ ১১ ॥
দয়ানন্দ সরস্বতী এর অর্থ লিখেছেন — যুদ্ধে যে যে সৈনিক অথবা সেনাধ্যক্ষ রথ, অশ্ব, ছত্র, ধন, ধান্য, গবাদি পশু, নারী এবং অন্য সকল প্রকার দ্রব্য, ঘৃত, তৈলের কলস প্রভৃতি যাহা যাহা জয় করিবেন, তিনি তাহা প্রাপ্ত হইবেন, এইরূপ ব্যবস্থা কখনও ভঙ্গ করা উচিত নহে ৷৷ ১১ ৷৷
নন্দীনাথ শৈবাচার্য জীর দ্বারা দয়ানন্দ সরস্বতীর লেখা অর্থের পর্দা ফাঁস —
বাহঃ রে সত্যার্থ প্রকাশের লেখন দয়ানন্দ সরস্বতী জী ! বাহঃ !
এটাই কি আপনার উত্তম বিচার ? এটাই কি আপনার উত্তম বুদ্ধি ? এটাই কি আপনার উত্তম বিশুদ্ধ মনুসংহিতার অর্থ ?
লুটপাট এর উদ্দেশ্যে লড়ে যাওয়া যুদ্ধ শত্রুর ধন সম্পত্তি আর তাদের স্ত্রীগণকে ভোগ করাই ধর্ম অনুকূল আর বেদসম্মত ?
মনুস্মৃতি আপনার ধারণারও বাইরে , তাও আপনি এর অর্থের অনর্থ করবার উদ্দেশ্যে যেখানে উক্ত মনু স্মৃতির শ্লোকে “পশূন্ স্ত্রিয়ঃ” অর্থাৎ স্ত্রীলিঙ্গের পশুকে বোঝানো হয়েছে , সেখানে দয়ানন্দ সরস্বতী আপনি আলাদা করে ‘পশু’ আর আলাদা করে ‘নারী’ লিখেছেন। অর্থাৎ নারীদের লুটের বস্তু বানিয়ে ফেলেছেন আর্যসমাজীদের তথাকথিত নিষ্কলঙ্ক মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী।
পাঠক বৃন্দ !
ভেবে দেখুন একটি শ্লোকের মধ্যে থাকা একটি শব্দের অর্থ কে সামান্য বদলে দিলে কত বড় অনর্থ সৃষ্টি হতে পারে।
স্ত্রী পশু আর শুধু নারী বলার মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য আছে। এই দয়ানন্দ সরস্বতী স্ত্রীলিঙ্গের পশুকে ‘পশু' কমা ‘, ’ ‘ নারী’ লিখেছেন। অর্থাৎ পশু ও নারী শব্দের মাঝে কমা চিহ্ন দিয়ে পশু ও নারী উভয়কেই লুটের বস্তু বানিয়ে ফেলেছেন ।
ওহে ভণ্ডানন্দ !! এইটাই কি আপনার বুদ্ধির দৌড় ?
আপনার অনুসারে লুটপাটের উদ্দেশ্যে লড়ে থাকা যুদ্ধ ধন-সম্পত্তি পশু আদির মতো নারীগণেদের লুটে নেওয়াও কি ধর্মের অনুকূল ?
এইরকম নিচু মানসিকতা সম্পন্ন কর্ম তো দয়ানন্দ সরস্বতীর মতো আবোধ , ধূর্ত ও মন্দবুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তির ই শোভা দেয় ।
ওহে দয়ানন্দ সরস্বতী ! আপনার এই নারী লুটে নেবার বক্তব্য আর মুসলমানদের কোরাণের “৮নং - সুরা আল আনফাল”-এর আয়াত ৬৯ -এর মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই । দেখুন 👇
فَكُلُوا مِمَّا غَنِمْتُمْ حَلَّلًا طَيْبًا وَاتَّقُوا اللَّهُ إِنَّ اللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ (الأنفال - ٦٩)
আর যা কিছু গনিমতের (লুটের) মাল তুমি প্রাপ্ত করেছো, সেগুলি বৈধ পবিত্র ভেবে খাও আর আল্লাহকে ভয় করো, তার আজ্ঞাবহ হও ।
আর আপনার মনগড়া কাল্পনিক অর্থে আপনি বলেছেন যে,
যুদ্ধে যে যে সৈনিক অথবা সেনাধ্যক্ষ রথ, অশ্ব, ছত্র, ধন, ধান্য, গবাদি পশু, নারী এবং অন্য সকল প্রকার দ্রব্য, ঘৃত, তৈলের কলস প্রভৃতি যাহা যাহা জয় করিবেন, তিনি তাহা প্রাপ্ত হইবেন, এইরূপ ব্যবস্থা কখনও ভঙ্গ করা উচিত নহে ৷৷ ১১ ৷৷
অর্থাৎ আপনি তো ইসলামের থেকেও দুই কাঠি উপরে উঠে গেছেন ।
আর যুদ্ধতে জয় লাভ করে শত্রুপক্ষের থেকে প্রাপ্ত করা স্ত্রীগণেদের লুটের মালের মত ভাগকারী নিজেকে বৈদিক বৈদিক বলে ফাটাতে থাকা আর্যসমাজীরা দয়ানন্দের এই লেখার প্রসঙ্গে কি বলবেন ?
আপনাদের ভগবান দয়ানন্দ তো নবী মুহাম্মদের থেকেও দুই কাঠি উপরে উঠে গেছেন, যার কারণে তিনি লড়াইতে নারীদের লুটের ও ভাগাভাগি করে ভোগ করবার কথা বলেন ।
এর থেকে পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে যে দয়ানন্দ সরস্বতী ও তার অনুসারী আর্যসমাজীদের সাথে ইসলামের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই ।
আর্য সমাজীদের নিষ্কলঙ্ক দয়ানন্দ সরস্বতী এতটুকুও জানেন না যে এই ধরনের নিচকর্ম ধর্মের অনুকূল নয়, এগুলি বেদ বিরুদ্ধ কথা । দয়ানন্দ যে কত বড় জ্ঞানী তা আর আমাদের বলবার প্রয়োজন নেই, তার অজ্ঞানতা তারই লেখা থেকে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে
যাই হোক এসব দয়ানন্দের মস্তিষ্কে গোবর ভরে থাকারই ফলাফল ।
মনুসংহিতার উক্ত শ্লোকের প্রকৃত অর্থ এমন হওয়া উচিত , দেখুন 👇
রথাশ্বং হস্তিনং ছত্রং ধনং ধান্যং পশূন্ স্ত্রিয় ।
সর্বদ্রব্যাণি কুপ্যং চ য়ো যজ্জয়তি তস্য তৎ ॥ ৯৬ ॥
(মনু সংহিতা/৭ অধ্যায়/৯৬ শ্লোক)
অর্থ —
রাজার দ্বারা যুদ্ধতে শত্রুর রথ, ঘোড়া, হাতি, ছত্র, ধনধান্য, স্ত্রী পশু (গোমাতা আদি), ঘি তেল আদি যা কিছু জয় হয়েছে, তা তাদেরই । অর্থাৎ জয় করা সব কিছুর উচিত ব্যবহার হল এই যে - যদি জয়ী রাজা সমস্ত কিছু সেই পরাজিত রাজ্যের তা তাদেরই(প্রজাদেরই) ফিরিয়ে দেন(যে রাজ্যকে তিনি জয় করেছিলেন) ।
— উপরি উক্ত অর্থ ই যথার্থ,(দয়ানন্দ সরস্বতী বাদেও বর্তমানে অনেক অনুবাদকই ব্যাখ্যা সহ অনুবাদ না লেখবার কারণে তাদের অনুবাদও দয়ানন্দ সরস্বতীর লেখা অনুবাদের প্রায় সহিত এক মনে হয়, কিন্তু তা আসলেই নয়)। এমনটা যদি না হতো তবে পরবর্তীতে শ্লোক গুলিতে কখনোই পরাজিত রাজার রাজ্যের থেকে জয় করা সবকিছু পুনরায় সেই রাজ্যকেই ফিরিয়ে দেবার কথা মনু সংহিতা বলতো না। দেখুন এই প্রমাণ 👇
জিত্বা সম্পূজয়েদ্দেবান্ ব্রাহ্মণাঞ্চৈব ধার্মিকান ।
প্রদদ্যাৎপরিহারার্থং খ্যাপয়েদভয়ানি চ ॥ ২০১
সর্বেষাং তু বিদিত্বৈষাং সমাসেন চিকীর্ষিতম্ ।
স্থাপয়েত্তত্র তদ্বংশ্যং কুর্যাচ্চ সময়ক্রিয়াম্ ॥ ২০২
প্রমাণানি চ কুর্বীত তেষাং ধর্মান্ যথোদিতান্ ।
রত্নৈশ্চ পূজয়েদেনং প্রধানপুরুষৈঃ সহ ॥ ২০৩
পার্ষ্নিগ্রাহং চ সংপ্রেক্ষ্য তথাক্রন্দং চ মণ্ডলে ।
মিত্রাদশাপ্যমিত রাদ্বা যাত্রাফলমবাপ্নুয়াৎ ॥ ২০৭
হিরণ্য ভূমিসংপ্রাপ্ত্যা পার্থিবো ন তথৈধতে ।
যথা মিত্রং ধ্রুবং লব্ধ্বা কৃশমপ্যায়তিক্ষমম্ ॥ ২০৮
[মনুস্মৃতি/অধ্যায় ৭/২০১-২০৩, ২০৭-২০৮ শ্লোক]
অর্থ —
রাজা দারা শত্রুর ওপর বিজয়প্রাপ্ত করবার পর তার দেবতা তথা ধর্মাত্মা ব্রাহ্মণদের পূজা(প্রতি শ্রদ্ধা বশত মনোভাব) করে যুদ্ধতে প্রজাদের যে ব্যক্তিদের অন্যধন এবং জলের হানি হয়েছে তা পূরণ করা উচিত তথা প্রজাদের অভয় দান করে তাদের নিশ্চিন্ত করা উচিত ॥২০১
বিজয় রাজার উচিত যে তিনি যুদ্ধতে পরাজিত হওয়া রাজা তথা তার মন্ত্রীদের মনোরথ জেনে পরাজিত হওয়া রাজার অথবা সেই রাজা বংশে জন্ম হওয়া যোগ্য পুরুষকে রাজগদীতে বসানো। সেই পরাজিত রাজ্যতে যে নিয়ম-কানুন নিষেধ আদি প্রচলিত ছিল তার স্বীকৃতি ঘোষণা করে দেওয়া ॥ ২০২
বিজয়ী রাজার উচিত তিনি যুদ্ধতে পরাজিত হওয়ার রাজার রাজ্যে যে ধর্ম আচার প্রচলিত হত তার মান্যতা হিসেবে ঘোষণা করে দেওয়া । রাজা নিজের প্রমুখ মন্ত্রীর সাথে পরাজিত রাজাকে রাজ্যতে অভিষিক্ত করে তাকে রত্নাদি উপহার হিসেবে প্রদান করা ॥ ২০৩
বিজয়ী রাজা তথা তার সহায়কেরা পরাজিত রাজার যাত্রার জন্য ফল, মিত্রতা আদি সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে বহুমূল্য উপহার প্রদান করা উচিত ॥ ২০৭
কারণ কারোর কাছ থেকে সে না অথবা ভূমি নিয়ে রাজা ততটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠেন না যতটা মিত্রতা প্রাপ্ত করলে শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। দুর্বল থেকে দুর্বলতর রাজাও মিত্রতার দ্বারা বলবান হয়ে ওঠে ॥ ২০৮
অর্থাৎ রাজার উচিত নিজের ক্ষত্রিয় ধর্ম পালন করতে থেকে সমস্ত শত্রু রাজাদের নিজের মিত্র বানিয়ে নেওয়া , আর এরকম দূর্বল শত্রুকে যেন না মারে , বরং মিত্র বানিয়ে নেয়।
संग्रामेष्वनिवर्तित्वं प्रजानां चैव पालनम् ।
शुश्रूषा ब्राह्मणानां च राज्ञां श्रेयस्करं परम् ॥१॥
न कूटैरायुधैर्हन्याद्युध्यमानो रणे रिपून् ।
न कर्णिभिर्नापि दिग्धैर्नाग्निज्वलिततेजनैः ॥२॥
न च हन्यात्स्थलारूढं न क्लीबं न कृताञ्जलिम् ।
न मुक्तकेशं नासीनं न तवास्मीति वादिनम् ॥३॥
न सुप्तं न विसंनाहं न नग्नं न निरायुधम् ।
नायुध्यमानं पश्यन्तं न परेण समागतम् ॥४॥
नायुधव्यसनप्राप्तं नार्तं नातिपरिक्षतं ।
न भीतं न परावृत्तं सतां धर्ममनुस्मरन् ॥५॥
यस्तु भीतः परावृत्तः संग्रामे हन्यते परैः ।
भर्तुर्यद्दुष्कृतं किं चित्तत्सर्वं प्रतिपद्यते ॥ ६॥
यच्चास्य सुकृतं किं चिदमुत्रार्थमुपार्जितम् ।
भर्ता तत्सर्वमादत्ते परावृत्तहतस्य तु ॥ ७ ॥
मनुस्मृति [७/८८-९५]
যিনি বাহন বা রথ থেকে আলাদা হয়ে ছিটকে পড়েছেন মাটিতে, নপুংশক, হাত জোড় করে মাটিতে হাটু গেড়ে বসে পড়েছেন, যে প্রার্থনা করে বলে - আমি তোমার শরণাপন্ন, শাস্ত্র হীন, যুদ্ধতে অনিচ্ছুক, যে বিপত্তিতে পড়েছে, অথবা দুঃখী, ঘায়েল হয়ে গেছে, ভয়ে ভীত হয়েছে অথবা যুদ্ধ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
বীর ক্ষত্রিয় রাজা পরাজিত রাজার প্রজার সাথে সেই ভাবেই ব্যবহার করবে যেভাবে বীর ক্ষত্রিয় রাজা নিজের প্রজার সাথে ব্যবহার করেন ।
যাক... এসব কথা জিহাদী দয়ানন্দ সরস্বতীর ধারণারও বাইরের বিষয় ।
দয়ানন্দ সরস্বতী ছোটবেলা থেকেই মুসলিমদের মতই কট্টরপন্থী বিচারধারার ব্যক্তি ছিলেন। থিয়োসোফিক্যাল সোসাইটির দালাল,
নিরাকারের উপাসনা,
দেবদেবীর মূর্তি পূজা বিরোধ,
সনাতন ধর্ম থেকে আলাদা করে নিজের মতবাদ বানানো,
সনাতন ধর্মের দেবদেবীদের, নিজের পিতা মাতা, পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে অপমান ও নিন্দা সূচক বক্তব্য দেওয়া,
নিজের মনগড়া কাল্পনিক সিদ্ধান্ত কে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া,
একজন স্ত্রী ১১ জন পর পুরুষ দিয়ে যৌন ক্রিয়া করতে পারবে বলে বিধান দেওয়া,
অশ্লীল নিয়োগ(স্ত্রীলোকের যৌনাঙ্গে পুরুষের যৌনাঙ্গের প্রবেশ) বিধান দেওয়া,
পাঠার ঘি দুধ উৎপন্ন হয় বলে দাবীদার,
লুটপাটের সমর্থক, নারীদের লুটের গনিমতের মাল বলে চিহ্নিতকারী,
নিজের পিতাকে পর্যন্ত ধূর্ত, পাখন্ডী, মূর্খ বলে চিহ্নিতকারী,
বেদ বিরোধী, ধর্ম বিরোধী, ধর্মগ্রন্থের অপমানকারী, শিব মহাপুরাণ কে অবৈজ্ঞানিক প্রমাণ করবার জন্য মিথ্যা গল্প রচনাকারী, বস্ত্র যাচনাকারী শিবভক্ত ভিক্ষুক ব্রাহ্মণকে পিটিয়ে হত্যাকারী, কাশিতে ১০০-র বেশি সংখ্যক দেব দেবীর প্রতিমা লাঠি দিয়ে আঘাত করে ভঙ্গকারী, নদীতে ভেসে আসা মরা পচা মৃত লাশকে চিরে ফেরে দেওয়ার মতো নীচ কর্মকারী, নিজেকে সন্ন্যাসী দাবি করবার পরেও নিজের কাছে যৌনবর্ধক বড়ি রাখবার মতো কার্যকর্তা, মাঝরাতে নগ্ন হয়ে নিজের অনুসারী ছেলেমেয়েদের দিয়ে ওই নগ্ন দেহ টেপাটিপি করানোর মতো দুষ্টকর্মকারী, প্রতিদিন মলদ্বারে অশ্বলিঙ্গ প্রবেশ করাবার মতো অশ্লীল বেদভাষ্যকারী দয়ানন্দ সরস্বতীর কাছে আর কি ভালো আশা করা যেতে পারে ?
আর দয়ানন্দ সরস্বতী যে সত্যিই মুসলিম দের নবী মুহাম্মদের মতোই ছিল, তা আর্যসমাজীদের এক পণ্ডিতই স্বীকার করেছেন, প্রমাণ দেখুন 👇
সুতরাং আর্যসমাজীরা যতই নিজেদেরকে সনাতনী প্রমাণ করবার জন্য সনাতনী রূপের ছদ্মবেশ ধরে প্রচার প্রচারণা করুক, তাদের কার্যকলাপ ও ইতিহাস বারংবার এটা প্রমাণ করে দেয় যে তারা মুসলিমদের থেকে কোন অংশে কম নয়। বরং আরো একধাপ এগিয়ে বলা যায় যে,
দয়ানন্দ সরস্বতী= আর্য সমাজ = মুসলিম ।
[ বিঃ দ্রঃ — অনেক আর্য সমাজী এই আর্টিকেল পড়বার পর দাবি করতে পারে যে, দয়ানন্দ সরস্বতী তার সত্যার্থ প্রকাশের মধ্যে খ্রিস্টান ও মুসলিমদের খণ্ডন করে গেছেন। তাই তিনি কখনোই মুসলিম নন। কিন্তু আসল সত্য কথা হলো - দয়ানন্দ সরস্বতী এক বেশ্যা নারীর হাতে বিষ খেয়ে অপমৃত্যুর পদ্ধতিতে মরে দয়াপ্রেত হয়ে নরকে যাবার পর, হিন্দু সনাতনী পণ্ডিত ও হিন্দু সনাতনী সমাজের কাছে দয়ানন্দ সরস্বতীর এই আর্যসমাজ সম্পূর্ণরূপে একটা সনাতন ধর্মের বিরোধী দল বলে পরিচিত হয়ে যাচ্ছিল, কারণ দয়ানন্দ সরস্বতী জীবিত অবস্থায় তার সত্যার্থ প্রকাশে কোথাও ইসলাম খ্রিস্টান দের বিরুদ্ধে কোন কিছু লিখে যান নি, তখন আর্য সমাজের এই দুর্বলতা ঢাকতে, সত্যার্থ প্রকাশের মধ্যে সেখানে খ্রিস্টান ও যবনমত সমীক্ষা বলে আরও একটি সমুল্লাস বাড়িয়ে লিখে ছেপে নতুন সত্যার্থ প্রকাশ বের করে পিঠ বাঁচায়। যাতে তারা দেখাতে পারে যে দয়ানন্দ সরস্বতী কত বড় সনাতনী ছিলেন, আসলে সনাতনীদের চোখে ধুলো দেবার জন্য দয়ানন্দ সরস্বতী নরকে যাওয়ার পর এসব কারসাজি করেছে আর্যসমাজীরা]
যতদিন আর্যসমাজী ওরফে আর্যনামাজীরা সনাতন ধর্মের ক্ষতি করবার জন্য চেষ্টা করবে, ততদিন আমরা শৈব অর্থাৎ আদি সনাতনীরা পরমেশ্বর শিবের আশীর্বাদে আর্যসমাজীদের দমন করে যাবো ।
কারণ, সত্য সর্বদাই জয়ী হয় ।
শৈব সনাতন ধর্ম সদা বিজয়তে 🚩
হর হর মহাদেব 🚩
অপপ্রচার দমনে — শ্রী শনিরাজ
কপিরাইট ও প্রচারে — International Shiva Shakti Gyan Tirtha - ISSGT

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন